মেরিন ড্রাইভ রোড (Marine Drive Road) কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক, যা পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ হিসেবে পরিচিত।
এই সড়কটি বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে চলে, একপাশে সমুদ্রের নীল জলরাশি এবং অপর পাশে সবুজ পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এটি কক্সবাজারের কলাতলী সৈকত থেকে শুরু হয়ে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত।
🌊 সৌন্দর্য ও দর্শনীয় স্থান (Marine Drive Road):
মেরিন ড্রাইভ রোডের পথে হিমছড়ি, ইনানী, দরিয়ানগর, ভাঙ্গার মোড়, রাজারছড়া, মহেশখালীয়া পাড়া, তুলাতলীসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান রয়েছে।
এখানে সমুদ্র সৈকত, পাহাড়ি ঝর্ণা, সবুজ বনভূমি এবং স্থানীয় জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
🚗 যাতায়াত ও খরচ:
- গণপরিবহন: কক্সবাজার শহর থেকে টেকনাফের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া যেকোনো বাসে চড়ে মেরিন ড্রাইভের যাত্রা শুরু করতে পারেন। বাসের ভাড়া সাধারণত ৫০-৮০ টাকা হয়ে থাকে।
- ট্যাক্সি/রাইড শেয়ার: কক্সবাজার শহর থেকে মেরিন ড্রাইভের শুরু পর্যন্ত ট্যাক্সি অথবা রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের মাধ্যমে যেতে পারেন। এতে আপনার প্রায় ২০০-৪০০ টাকা খরচ হতে পারে।
- গাড়ি ভাড়া: মেরিন ড্রাইভ পুরোপুরি ঘুরে দেখতে ৪-৫ ঘণ্টা সময় হাতে রাখা উচিত।
- সিএনজি বা জীপ ভাড়া সাধারণত ৮০০-১৫০০ টাকা এবং চান্দের গাড়ি বা জীপ রিজার্ভ করতে ৩০০০-৪০০০ টাকা খরচ হতে পারে।
⚠️ সতর্কতা:
- রাতের যাত্রা: রাতের বেলায় মেরিন ড্রাইভ রোডে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
- বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী, নোয়াখালী, রাজারছড়া, মহেশখালীয়া পাড়া, তুলাতলীসহ উপকূলীয় এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে।
- সন্ধ্যার পর এসব এলাকায় যাতায়াত এড়িয়ে চলা উত্তম।
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে পরিচয়পত্র চাওয়া হতে পারে, তাই জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট সঙ্গে রাখা উচিত।
- মেরিন ড্রাইভ রোড কক্সবাজারের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।
- এই সড়কটি দিয়ে ভ্রমণ করলে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।



